মেনু নির্বাচন করুন
গল্প নয় সত্যি

গল্প নয় সত্যি

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পরে সরকার প্রথমেই ধ্বংসপ্রাপ্ত পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন পদ্ধতিগুলো পুর্নবাসনে গুরুত্ব আরোপ এবং তৎপরবর্তীতে নতুন অবকাঠামো স্থাপন শুরু করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) মাধ্যমে, এরই  ধারাবাহিকতায় চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কাজ করিয়া আসিতেছে।বিগত তিন অর্থ বৎসরে চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য ২৭৫৫ টি গভীর নলকুপ স্থাপন ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য ২১০০টি স্যানিটারী ল্যাট্রিন স্থাপনের ব্যবস্থা করা হয়। তাছাড়া চাঁদপুর পৌরসভায় ৭টি উৎপাদক নলকুপ স্থাপন ৭০কিলোমিটার পাইপ লাইন স্থাপন  ও পূণস্থাপন এবং দুইটি ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানি শোধনাগার(পরিশোধন ক্ষমতা ৩৫০ঘন মিটার/ঘন্টা) ৯৯% নির্মাণ কাজ ও ১টি ৬৮০ ঘন মিটার ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ জলাধার নির্মাণ করা হয়। হাজীগঞ্জ পৌরসভায় ৪টি পাবলিক টয়লেট ১টি উৎপাদক নলকূপ স্থাপন ও পাম্প হাউজ নির্মান করা হয় ও একটি ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানি শোধনাগার (পরিশোধন ক্ষমতা ১৮০ ঘন মিটার /ঘন্টা) নির্মাণ কাজ চলমান আছে। কচুয়া পৌরসভায় ৩টি উৎপাদক নলকূপ স্থাপন ও পাম্প হাউজ নির্মান করা হয় ও একটি ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগার (পরিশোধন ক্ষমতা ১৮০ ঘন মিটার /ঘন্টা) নির্মাণ কাজের কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। পিইডিপি-৩ প্রকল্পের আওতায় ২৮৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লক নির্মান করা হয় ও ৭৯৯টি বিদ্যালয়ে নিরাপদ পানির উৎস(হস্ত চালিত গভীর/তারা গভীর) নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।

ছবি/সংযুক্তি


ক্রম

-৩


Share with :

Facebook Twitter